নিজস্ব প্রতিবেদক:
২০২১ সালে অবসরে যান সচিব মহিবুল হক। আর ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মৃত্যু হয়। শামীম মোল্লা হত্যা মামলায় গত ২০ নভেম্বর মহাখালী থেকে গ্রেফতার দেখানো হয় মহিবুল হককে। হত্যা মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে তাকে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে এক ঠান্ডা ‘উত্তেজনা’ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে এই ‘উত্তেজনায়’ বিএনপির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ। দ্রুতই এ বিষয়ে সরকারের কাছে এ প্রসঙ্গে সরাসরি বার্তা দেওয়ার আলোচনা চলছে।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয়েও সচিব মহিবুল হকের গ্রেফতার অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানা গেছে। গ্রেফতারকৃত সাবেক সচিব মহিবুল হক অবসরে যান ২০২১ সালে। তিনি ঢাকা ও যশোরসহ বিভিন্ন জেলার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, সদ্য গঠিত নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবেও গ্রেফতারকৃত সাবেক সচিব মহিবুল হকের নাম প্রস্তাব করেছিল গণতন্ত্র মঞ্চ। পাশাপাশি আরও একাধিক বাম-ধারার রাজনৈতিক দলগুলোও তার নাম প্রস্তাব করেছে।
মঞ্চের এক নেতার ভাষ্যমতে, পুরো পরিচিত মহলে মহিবুল হককে নিয়ে স্পষ্ট ধারণা রয়েছে। কর্মজীবনে তিনি সততার সঙ্গে কাজ করেছেন। যদিও বর্তমানে গ্রেফতারের পেছনে একাধিক সাবেক সচিবের নাম এসেছে, যারা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আর এ কারণেই বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য মঞ্চের পক্ষ থেকে বিএনপিকে জোর আহ্বান জানানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃত সাবেক সচিব মহিবুল হক গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক সাইফুল হকের ভাই।




