আইডিইবি’র দখলদারিত্ব

বিশেষ প্রতিবেদক:

ছাত্র জনতার বৈপ্লবিক আন্দোলনে ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। পতন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে। এ ব্যাপারে তারেক রহমান বলিষ্ঠ নেতৃত্বের পরিচয় দেন। কিন্তু অসাধু নের্তৃবৃন্দ তারেক রহমানের ইমেজ ক্ষুন্নের পায়তারার অংশ হিসেবে ২০ লক্ষাধিক সদস্য প্রকৌশলীদের প্রাণের সংগঠন ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-আইডিইবি কিছু বিপথগামী নেতৃবৃন্দ বিশেষ করে কাজী সাখাওয়াত হোসেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পালিয়ে যাওয়া মেয়র তাপসের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত গোলাম কিবরিয়া রুবেল গংদের নেতৃত্বে দখল করে নেন।

উল্লেখ্য যে, আইডিইবির নিজস্ব তহবিলের ১২ কোটি টাকার এফডিআর এবং বিভিন্ন অফিসে ভাড়া বাবদ এবং বিভিন্ন হল ও সেমিনার ভাড়া বাবদ অর্থ উপার্জন হয়ে থাকে। এই টাকা আত্মসাৎ করার লক্ষ্যেই নন পেশাজীবী ব্যক্তি কর্তৃক আইডিইবির এই দখলদারিত্ব বলে মনে করেন সাধারণ সদস্যরা । বরং আইডিইবি একটি নন পলিটিক্যাল পেশাদার প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ সরকার আইডিইবি এবং আইইবিকে গবেষণা বাাবদ ১ কোটি প্রদান করে থাকে প্রতি বছর। প্রতি বছর সরকারকে বিভিন্ন গবেষণা পত্র প্রেরণ করা হয়। কিন্তু নন পেশাদার কর্তৃক আইডিইবি দখল হওয়ায় গবেষণা বন্ধ হয়ে গেছে। সরকার এইসব গবেষণা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিশেষ করে মাতারবাড়ি প্রকল্প নিয়ে আইডিইবির গবেষণা, তিস্তা, ফারাক্কা ও বিভিন্ন সেচ প্রকল্প নিয়ে আইডিইবির গবেষণা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয়ন কেন্দ্র এসব আইডিইবির গবেষণায় সরকারকে সহযোগীতা করেছে।

রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এ সকল ইন্সস্টিটিউট দখলদারমুক্ত থাকাই শ্রেয়। কাজী সাখাওয়াতের ভিজিটিং কার্ড বিশ্লেষন করলেই বোঝা যায় তিনি কত বড় মাপের চাতুরির আশ্রয় নিয়েছেন। তার ভিজিটিং কার্ডে উল্লেখ আছে, তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি। এটা কিভাবে সম্ভব! এসব কারণে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের রাজনীতি কিভাবে সম্ভব? এসব ব্যক্তিদের দখলদারিত্ব থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মুক্ত করা না গেলে ৫ আগষ্টের বিপ্লব এবং বিএনপির বিশেষ করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ইমেজ ক্ষুন্ন হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here